অবশেষে বিতর্কিত 'শরীফ ও শরীফার' গল্পটি বাদ দিতে আদালতের আইনি নোটিশ
২০২৪ সালের নতুন বছরের নতুন কারিকুলামের ৭ম শ্রেনির ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান বই থেকে শরীফ ও শরীফার গল্পটি বাদ দিতে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছে আদালত। আজ ২৫ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ও জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি)র চেয়ারম্যানকে এ নোটিশ পাঠান সুপ্রিমকোর্টের একজন আইনজীবী মাহমুদুল হাসান।
![]() |
| Supreme Court of Bangladesh: Collected |
কেন এই 'শরীফ ও শরীফার' গল্পটি বাদ দিতে আদালতের আইনি নোটিশ
নোটিশে উল্লেখ্য করা হয়, সপ্তম শ্রেনীর ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান বইয়ের শরীফ ও শরীফার যে গল্প বলা হয়েছে তা কোমমতী শিক্ষার্থীদের মনে বিকৃত মানসিকতার প্রভাব ফেলছে। যা বাংলাদেশের রাস্ট্র ধর্ম এবং বাংলাদেশের আইনের লংজ্ঞন। বইয়ে উল্লেখ্য করা হয় শড়িফ আহমেদ একজন ছেলে হয়েও সে মনে মনে নিজেকে একজন মেয়ে ভাবে। মুলত এটি তার মানসিক ভারসাম্্য হীনতার প্রকাশ। বইয়ে স্বীকার করা হয়েছে যে সে পুরোপুরিভাবে শারিরিক দিক দিয়ে একজন পুরুষ। য়ার মনের ভাবনার দ্বারা ত তার কোন অঙ্গের কোন পরিবর্তন হয় নি।
গল্পটির মাধ্যমে মুলত কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতর্কিত ট্রান্সজেন্ডারদের (Transgender) প্রতি অনুপ্রেরিত করা হয়েছে। যা সম্পুর্ণ আইন বহির্ভুত কাজ। এই ট্রান্সজেন্ডাররা মুলত বিকৃত যৌনাচারের লিপ্ত হয়ে থাকে যা বাংলাদেশি আইনে সম্পুরন অবৈধ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। দন্ডবিধির ৩৭৭ অনুযায়ী পুরুষ পুরুষ, নারী নারী তথা প্রাকৃতিক নিয়মের বাহিরে যৌন সহবাসের শাস্তি সারাজীবন কারাদণ্ড বা দশ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড। এ ক্ষেত্রে উবয়ের সম্মতিতে এটি সংঘটিত হলেও শাস্তিযোগ্য অপরাধ বিবেচিত হবে।
![]() |
| Sorif Sorifar golpo- Collected |
নোটিশ টি পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে সপ্তম শ্রেনীর পাঠ্য পুস্তক থেকে শরীফ ও শরীফার গল্পটি বাদ দেয়া সহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে এবং বইয়ের দোকান থেকে এই বই প্রত্যাহার করা আদেশ দেয়া হয়েছে। অন্যথায় সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রিট প্রদান করা হবে।



0 মন্তব্যসমূহ